মাথায় চুল বসাতে গিয়ে ভয়াবহ পরিণতি অভিনেতার

বিবিধ বিনোদন 2nd Sep 18 at 3:55pm 631
Googleplus Pint
মাথায় চুল বসাতে গিয়ে ভয়াবহ পরিণতি অভিনেতার
গিয়েছিলেন টাক মাথায় চুল বসাতে। কিন্তু ডাক্তারের ‘হাত যশে’ ১৫ দিন অজ্ঞান থাকার পর কোনও ক্রমে বাড়ি ফিরলেন।। সঙ্গে উপরি পাওনা খুবলে নেয়া মাথার খুলিতে দগদগে ঘা। ভয়াবহ অভিজ্ঞতার শিকার বিশিষ্ট অভিনেতা। টাকে চুল গজানোর বিজ্ঞাপনে হামেশাই দেখা যায় একই ব্যক্তির অপারেশনের আগের এবং পরের দু’টি ছবি।

কিন্তু পাকিস্তানের বিখ্যাত অভিনেতা ও লেখক সৈয়দ সাজিদ হাসানের সেরকম পাশাপাশি দু’টি ছবি দেখলে শিউরে উঠবেন যে কেউ। হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট করাতে গিয়ে দুর্বিষহ অভিজ্ঞতার কথা পাকিস্তানের অভিনেতা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন একাধিক ভিডিও বার্তায়। তারপরই সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।

ভিডিও বার্তায় সাজিদ জানিয়েছেন, গত কয়েক বছর আগে এক চিকিৎসকের সঙ্গে তার আলাপ হয়। সাজিদের কথায়, ওই চিকিৎসক কার্যত গায়ে পড়েই বন্ধুত্ব করেন। ধীরে ধীরে দুজনের কিছুটা ঘনিষ্ঠতাও তৈরি হয়। কিন্তু এই বন্ধুত্ব পর্বে গল্পগুজবের ফাঁকে মাঝে মধ্যেই ওই চিকিৎসক তাকে হেয়ার ট্রান্সপ্লান্টের পরামর্শ দিতেন।

কিন্তু তিনি খুব একটা গুরুত্ব দেননি। তবে ভিতরে ভিতরে টাক নিয় কিছুটা যে হীনমন্যতা ছিল, সে কথা স্বীকার করেছেন এই অভিনেতা। আর সেই কারণেই এক সময় ওই চিকিৎসকের পরামর্শে শেষ পর্যন্ত হেয়ার ট্রান্সপ্লান্টে রাজি হন।

তারপরই শুরু হয় অগ্নিপরীক্ষা। পাকিস্তানের অভিনেতা ভিডিওতে বলেছেন, কোনও পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়াই শুরু হয় ‘অপারেশন’। মাথায় খোঁচানোর জেরে ঘা হয়ে যায়। আর তার অভিঘাতে অন্যান্য বহু শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হন তিনি।

ব্যথা আর শারীরিক কষ্টে এক সময় সংজ্ঞা হারান তিনি। সেভাবেই অচৈতন্য অবস্থায় ছিলেন ১৫ দিন। জ্ঞান ফেরার পর আর সেখানে থাকেননি। এখন অন্য জায়গায় মাথায় ক্ষতের চিকিৎসা করাচ্ছেন।

আর কিছুটা সুস্থ হওয়ার পরই নিজের এই অভিজ্ঞতার কথা জানান বর্ষীয়ান অভিনেতা। সব শেষে সাজিদের সাবধানবাণী, হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট করাতে হলে আগে সেই প্রতিষ্ঠান বা চিকিৎসকের সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ খবর নিয়ে তবেই সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে এত কিছুর পরও চিকিৎসকের নাম প্রকাশ করেননি সাজিদ আহমেদ।

ঘটনা হয়তো পাকিস্তানের। কিন্তু আমাদের দেশেও ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে এসব টাকে চুল গজানোর চিকিৎসা। টিভি চ্যানেল, পত্র পত্রিকায় কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা ঢেলে বিজ্ঞাপনও দেয় এসব প্রতিষ্ঠান বা ডাক্তাররা।

সব ক্ষেত্রেই যে মানুষ প্রতারিত হন, এমন নয়। কিন্তু বিজ্ঞাপনে দাবি করা তথ্য কতটা সত্যি বা মিথ্যে, তা যাচাই করার কেউ নেই। শুধুমাত্র ভুক্তভোগীরাই বুঝতে পারেন। যেমন কার্যত প্রাণ নিয়ে ফেরার পর বিষয়টি মাথায় ঢুকেছে পাকিস্তানের এই অভিনেতার।

সূত্র: আনন্দবাজার
Googleplus Pint
Mizu Ahmed
Manager
Like - Dislike Votes 0 - Rating 0 of 10

পাঠকের মন্তব্য (0)