নিষেধাজ্ঞা কমবে স্মিথ-ওয়ার্নার-ব্যানক্রফটের?

ক্রিকেট দুনিয়া 3rd Apr 18 at 8:36pm 1,311
Googleplus Pint
নিষেধাজ্ঞা কমবে স্মিথ-ওয়ার্নার-ব্যানক্রফটের?
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তৃতীয় টেস্টে বল টেম্পারিংয়ের ঘটনায় দায় স্বীকার করে শাস্তি পেয়েছেন স্টিভেন স্মিথ, ডেভিড ওয়ার্নার ও ক্যামেরন ব্যানক্রফট। আইসিসি স্মিথকে ১ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা ও ম্যাচ ফি এর শতভাগ জরিমানা করলেও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একটু বেশিই শাস্তি দিয়ে ফেলে।

স্মিথ ও ওয়ার্নারের কাছ থেকে অধিনায়ক ও সহঅধিনায়কের দায়িত্ব কেড়ে নেওয়া হয়। পাশাপাশি তাদের দুজনকে এক বছরের জন্য ও ব্যানক্রফটকে ৯ মাসের জন্য ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিষিদ্ধ করে। এমন শাস্তিকে অসামঞ্জস্য বলে উল্লেখ করেছে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটারদের সংগঠন ‘এসিএ’। তারা ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে তিন ক্রিকেটারের শাস্তি কমানোর জন্য অনুরোধও জানিয়েছে।

এই শাস্তিকে অসামঞ্জস্য উল্লেখ করে এসিএ এর সভাপতি গ্রেগ ডায়ের বলেন, ‘আমরা ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে শাস্তির বিষয়টি পুনরায় ভাবতে কিংবা শাস্তির কিছু অংশ কমাতে বলেছি। পাশপাশি বলেছি খেলোয়াড়দের পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার সুযোগ দিতে। আমরা বিশ্বাস করি তাদের শাস্তি অসামঞ্জস্য। আমরা ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে বোঝাতে চেষ্টা করেছি যে এই ঘটনা আগেও ঘটেছে এবং শাস্তি এতো বেশি ছিল না। আমরা আমাদের পয়েন্টগুলো বোঝানোর চেষ্টা করেছি। আমরা ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে এ বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগ রাখব।’

নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন খেলোয়াড়রা। আপিল করার শেষ সময় ৫ এপ্রিল। এ বিষয়ে গ্রেগ বলেন, ‘এসিএ ক্রিকেটারদের সঙ্গে আছে। তাদের হয়ে কাজ করছে। আপিল করার বিষয়ে তাদের সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যে তারা জানিয়ে দিয়েছে। সেটা এখনই আপনাদের জানাতে পারব না। খেলোয়াড়দের জন্য এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ব্যাপার। আমরা তাদের আপিলের প্রক্রিয়ায় সহায়তা করছি। তাদের সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করছি।’

গ্রেগ ডায়ের মনে করেন ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার উচিত এমন সময়ে খেলোয়াড়দের পাশে থাকা। তারা যাতে ক্রিকেটের সংস্পর্শে থাকতে পারে সেটা নিশ্চিত করা। সেটা খেলোয়াড়দের জন্য যেমন উপকারী হবে, তেমনি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার জন্যও।

দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ফিরে সংবাদ সম্মেলনে স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নার কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। গভীরভাবে অনুতপ্ত হয়েছেন। তাদের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটপ্রেমীরাও কেঁদেছেন বলে উল্লেখ করেন গ্রেগ, ‘তারা যেভাবে অনুতপ্ত হয়েছে সেটা হৃদয়বিদারক ছিল। তাদের অনুতপ্ত হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার অনুরোধ করেছি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে। তাদের পীড়িত চেহারা ও কান্না ক্রিকেট বিশ্বকে নাড়া দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার তাদের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়াও কেঁদেছে। আমিও কেঁদেছি। আশা করছি বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তাদের বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিবে।’

তথ্যসূত্রঃ অনলাইন
Googleplus Pint
Like - Dislike Votes 7 - Rating 5 of 10

পাঠকের মন্তব্য (0)