যে কারণে কাটাপ্পা বাহুবলীকে মেরেছিল!

মজার সবকিছু May 7, 20172,315
যে কারণে কাটাপ্পা বাহুবলীকে মেরেছিল!

▶বাংলা সিনেমার ফ্লেভার ঢুকাতে


কাটাপ্পা আসলে বাংলাদেশের দর্শকের কথা চিন্তা করে বাহুবলীকে খুন করার সিদ্ধান্ত নেয়। এমন খুন, পাল্টা খুন না থাকলে সিনেমায় দেশী ফ্লেভার আসে না। এতে এদেশের মানুষেরা তো দেশী ফ্লেভার পাবেই, ছবিতেও আসবে ড্রামাটিক মোড়। সিনেমায় বক্স অফিসে হিট করবে, যেমনটা করছেও। বাংলা সিনেমায় নানা রকম কুটনামি করা টাইপ ভিলেন চরিত্র দেখা যায়, যারা সবসময় নায়ক কিংবা নায়িকার বাবাকে হত্যা করে সম্পদ লুট করার চিন্তায় মশগুল থাকে। কাটাপ্পা এই চরিত্র টাকে ফুটিয়ে তুলতেই আসলে বাহুবলী কে মেরেছিল।


▶কাটাপ্পার সিজিপিএ জিজ্ঞেস করায়


পুরুষ মানুষের বেতন এবং সিজিপিএ জিজ্ঞেস করতে নেই। ইহা ক্ষমার অযোগ্য এক অন্যায়! কিন্তু বাহুবলীর তা জানা ছিল! এক সান্ধ্যকালীন ভোজের এক পর্যায়ে বাহুবলী ভুল করে কাটাপ্পার সিজিপিএ জিজ্ঞেস করে ফেলেছিল। কাটাপ্পা নিজের আবেগকে আর নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেনি...


▶সিনেমার চরিত্রের নাম রক্ষায়


সিনেমার চরিত্রের নাম রক্ষা করতেই আসলে বাহুবলীকে মারা হয়েছিল। যদি প্রতিশোধের কোনো ব্যাপার না থাকে, তাহলে নায়ক তার বাহুর বল দেখাবে কী করে! বাহুর বলই যদি না দেখাতে পারল, তাহলে সিনেমার নাম কীসের বাহুবলী!


▶চাচা আপন প্রাণ বাঁচাতে


কবি বলেছেন, চাচা আপন প্রাণ বাঁচা! কবির এই উক্তি যথাযথভাবে মেনে চলার চেষ্টা করেছে কাটাপ্পা নিজেও। তাই আপন প্রাণ বাঁচানোর জন্য ভাতিজা বাহুবলীকে মেরে ফেলে চাচা কাটাপ্পা!


▶ফেসবুকে ট্যাগ থেকে রেহাই পেতে


বাহুবলী ভালো লোক ছিল। কিন্তু তার ছিল একটাই বদভ্যাস, সে সেলফি তুলে পোস্ট তো করতই, সেলফিতে দুনিয়ার মানুষকে ট্যাগ করে রাখত। বাহুবলীর সব আলতু ফালতু আজাইরা সেলফিতে ট্যাগড হতে হতে বিরক্ত হয়ে উঠেছিল কাটাপ্পা! এরপর একদিন আর মেজাজ ঠিক রাখতে না পেরে...


▶সোশ্যাল মিডিয়ার ইস্যু সংকট দূর করতে


মাঝখানে কিছুদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছিল ব্যাপক ইস্যু সংকট। তার মধ্যে কেউ লাইভেও আসেনি, কারও কিছু ফাঁসও হয়নি। তাই এই চরম ইস্যু সংকট দূর করে ফেসবুককে আবারও জমজমাট করে তুলতেই কাটাপ্পা বাহুবলীকে মেরেছিল! সে জানত, আর কিছু হোক না হোক, এটা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফাজলামি হবেই...