সহজেই ফর্সা হবার তিন উপায়!

রূপচর্চা/বিউটি-টিপস March 11, 2017 1,212
সহজেই ফর্সা হবার তিন উপায়!

যদি আপনি আপনার মুখমন্ডল ক্লিন আপ বা অন্য কোন চিকিৎসা নিতে চান তাহলে আপনার কিছু বিষয় জেনে রাখা জরুরী। এটি আপনার সময় এবং অর্থ দুটোই বাঁচাতে সাহায্য করবে।


আপনার রান্নাঘরে যে সকল উপাদান আছে সেগুলো দিয়েই তৈরি করা যেতে পারে একটি আশ্চর্যজনক মাস্ক , যা আপনি ১০-১৫ মিনিটের ভিতরে তৈরি করে নিতে পারেন। এসব উপাদান গুলো কঠোর রাসায়নিক থেকে মুক্ত হয় এবং সব ধরনের ত্বকের জন্য উপযুক্ত হয়।


১। মধু এবং ডিমঃ এই দুই উপাদান মুখ মাস্ক করার জন্য সুপার সহজ এবং খুব কার্যকরী। ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ডি, যা ত্বকের ভিতর ও বাইরের অংশকেও সুন্দর রাখতে সাহায্য করে। ডিম দিয়ে ঝটপট কিছু ব্যবহার্য ফেইসপ্যাক তৈরি করা যায়। সব থেকে সহজ হল, ডিমের সাদা অংশের সাথে হালকা মধু মিশিয়ে ত্বকে মেখে ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে। চাইলে এই মাস্কটি ‘পিল অফ মাস্ক’ হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। ডিমের সাদা অংশ শুকিয়ে ত্বকের উপর একটি আস্তরণ কাজ করে যা ‘পিল অফ মাস্ক’ এর মত কাজ করে।


২। লেবু এবং দইঃ লেবুর রস এক টেবিল-চামচের সাথে দুই টেবিল-চামচ দই মিশিয়ে ১০ মিনিটের জন্য এই মিশ্রণ আপনার ত্বকের উপর প্রয়োগ করুন। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। লেবুর রস ত্বকের স্বাভাবিক রং এবং গাঢ় দাগ কমাতে সাহায্য করে। ত্বকের মসৃণতা এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতেও দইয়ের জুড়ি নেই। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের রং হবে আরো উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত।


৩। আপেল সিডার ভিনেগার এবং মধুঃ আপেল সিডার ভিনেগার এবং সাথে দুই টেবিল-চামচ মধু মিশিয়ে ১০/১৫ মিনিট এই মিশ্রণ ত্বকের উপর প্রয়োগ করুন, তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আপেল সিডার ভিনেগার ত্বকের pH এর ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত চামড়া মেরামত করতে সাহায্য করে। মধুতে রয়েছে প্রদাহ বিরোধী গুনাগুন। মধু দিয়ে নিয়মিত ত্বক পরিস্কার করলে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা যেমনঃ ত্বক লাল হয়ে যাওয়া, ব্রণ ইত্যাদি খুব তাড়াতাড়ি সেরে উঠে। নিয়মিত ত্বক পরিস্কার করলে ত্বক হয়ে উঠে উজ্জ্বল এবং স্বাস্থ্যবান। মধু দিয়ে নিয়মিত ত্বক পরিস্কার করলে তা ত্বকের শুষ্কতা প্রতিরোধ করে আর্দ্রতা ধরে রাখতেও সাহায্য করে।