চাকা যেভাবে আবিষ্কার হয়

জানা অজানা 27th Feb 17 at 5:36pm 1,412
Googleplus Pint
চাকা যেভাবে আবিষ্কার হয়

চাকাকে বলা যায় সভ্যতার গতি। মানুষের ধীরগতির জীবনে গতি আনে চাকা। চাকা আবিষ্কার হওয়ার আগে মানুষ নিজেই বইতো তার যাবতীয় ভারের বোঝা।

একসময় বনের পশুকে পোষ মানাতে শেখে আদিম মানুষ। গৃহপালিত প্রাণীতে পরিণত হয় গরু, গাধা, ঘোড়া, উট প্রভৃতি প্রাণী। এবার এসব প্রাণীর পিঠে বোঝা চাপিয়ে পণ্য বহন শুরু হয়।

সভ্যতার ক্রমবিকাশ হতে থাকে এভাবে। মানুষ যে সবসময়ই গতি পছন্দ করতো, করে তা প্রকাশ পেতে থাকে ধীরে ধীরে। একপর্যায়ে গাছের গুঁড়ির চাকতি কেটে তার মাঝ বরাবর ছিদ্র কর‍া হয়। এটাই ছিলো সভ্যতার ইতিহাসে প্রথম চাকা।

প্রাচীন কালের চাকা

এই চাকা আবিষ্কারের পর এখানেই থেমে থাকলো না। এবার এতে যুক্ত হলো একটি দণ্ড। দুই চাকাকে জুড়ে দিয়ে তার সঙ্গে যুক্ত হলো কাঠের পাটাতন। তৈরি হয়ে গেলো পৃথিবীর প্রথম অপরিণত গাড়ি।

ধারণা করা হয়, খ্রিস্টপূর্ব সাড়ে তিন থেকে তিন হাজার বছর আগে মেসোপটেমিয়ায় (বর্তমানে ইরান) আবিষ্কার হয় এ চাকা। তারপর কালের বিবর্তনে রূপ পেয়েছে হালের মেটালের চাকায়।

Googleplus Pint
Like - Dislike Votes 67 - Rating 3 of 10

পাঠকের মন্তব্য (0)