প্রেমিকার মান ভাঙানোর ৭টি অব্যর্থ টিপস

লাইফ স্টাইল February 8, 2017 1,297
প্রেমিকার মান ভাঙানোর ৭টি অব্যর্থ টিপস

প্রেম যতই নিবিড় হোক না কেন, মাঝেমধ্যে মান-অভিমান, ভুল বোঝাবুঝি কিংবা ঝগড়াঝাঁটি হয় না, এমন প্রেমিক-প্রেমিকা খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। প্রেমিকার জন্মদিনটি হয়তো বেমালুম ভুলে গেলেন, কিংবা কাজের চাপে হয়তো খেয়ালই নেই যে, গতকাল ছিল আপনাদের প্রথম দেখা হওয়ার দিন। এতে আপনার বান্ধবীর রাগ হওয়া স্বাভাবিক।


এমনও হতে পারে যে, কোনও বেআক্কেলে পরিস্থিতিতে আপনারই মুখ ফস্‌কে বেরিয়ে গেল কোনও কটূক্তি। রাগ করে কথা বন্ধ করে দিলেন আপনার প্রেমিকা। এমনটা হলে দু’জনেরই কষ্ট, দু’জনেরই মনের মধ্যে উথালপাথাল। কী করবেন এমন অবস্থায়? কী ভাবে মান ভাঙাবেন প্রেমিকার? রইল ৭টি টিপস—


১. নিজেই এগিয়ে আসুন: দোষ যারই হোক, প্রেমে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে, একজনকে তো এগিয়ে আসতেই হয় পরিস্থিতিটিকে স্বাভাবিক হওয়ার কাজে। সেই দায়িত্বটা আপনিই পালন করুন না। ‘আমিই কেন বার বার ওর মান ভাঙাব?’— এমন ইগো-সর্বস্ব চিন্তাভাবনা বিসর্জন দিয়ে নিজের মনকে প্রস্তুত করুন যে, অবস্থা স্বাভবিক করার কাজটা আপনাকেই করতে হবে।


২. টেক্সট করুন: প্রযুক্তির কাজই হল আমাদের কাজকর্মকে সহজ করে দেওয়া। কাজেই সামনাসামনি কথা বলে ঝগড়া মেটানোর কাজটা যদি খুব কঠিন বলে মনে হয়, তা হলে প্রেমিকার মোবাইলে হোয়াটস অ্যাপ করুন, কিংবা মেসেঞ্জারে মেসেজ পাঠান।


৩. উপযু্ক্ত বার্তা দিন: মেসেজ তো করছেন, কিন্তু কী মেসেজ করবেন, সেটাও কিন্তু জরুরি বিষয়। যদি মনে হয় যে, ভুল আপনারই, তা হলে নির্দ্বিধায় ক্ষমা চেয়ে নিন। আর যদি দেখেন, না, ভুল অন্য তরফের, তা হলে এক মেসেজে সমস্যা মিটবে না। সে ক্ষেত্রে ‘উই নিড টু টক’ জাতীয় একটা মেসেজ পাঠিয়ে দেখুন, কী হয়।


৪. ধৈর্য ধরুন: প্রথম মেসেজেই উল্টো দিক থেকে পজিটিভ রেসপন্স পাবেন, এমনটা না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। কিন্তু তাতে অধৈর্য হয়ে পড়লে চলবে না। মেসেজ পাঠিয়ে যান। নিজেদের নিবিড় মুহূর্তের কিছু সেলফি নির্ঘাৎ আপনার মোবাইলে রয়েছে। সেগুলো পাঠিয়ে দিন গার্লফ্রেন্ডকে। বরফ কিছুটা গলবেই।


৫. এ বার ফোনে কথা: আশা করা যায়, এই সমস্ত সাধ্যসাধনার পরে একটা ফোন তার দিক থেকে আসবে। সেই ফোন মানে কিন্তু ছোটখাটো ঝড় একখানা। অজস্র অভিযোগ, অভিমান, কান্নাকাটি সইতে হবে আপনাকে। ধৈর্য ধরে প্রেমিকার কথাগুলো শুনুন। যদি তার কথা না শোনেন, তা হলে অবস্থাও স্বাভাবিক হবে না।


৬. দেখা করুন: সামনাসামনি কথার কোনও তুলনা হয় না। ফোনে কোনও দিন সমস্ত সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। কাজেই একটু বরফ গললেই দেখা করার প্রস্তাব দিন। মুখোমুখি বসে ভুল বোঝাবুঝিগুলো মিটিয়ে নিন। শান্ত মেজাজে তার কথাগুলো শুনুন, বলুন নিজের অসুবিধার কথাও।


৭. গিফ‌্ট: উপহার পেতে কোন মানুষ না ভালবাসে? আর যখন মান-অভিমানের পালা চলছে, তখন উপহার অন্য তাৎপর্য বহন করে আনে। উপহার মানেই খুব দামি কিছু হতে হবে, এমন কোনও কথা নেই। এক গুচ্ছ গোলাপও এ রকম মুহূর্তে যথেষ্ট কাজে দেয়। এক গাল হেসে অভিমানিনীর হাতে তুলে দিন গোলাপের তোড়া। তার পর দেখুন, তাঁর মান প্রেমের আবেগে কোথায় ভেসে গিয়েছে।


তথ্যসূত্রঃ এবেলা